Bangladesh

Legal situation: Same-sex sexual activity, whether in public or private, is illegal and punishable with fines and up to life imprisonment under Section 377 of the i Penal Code. Consequently, does not recognize a marriage, civil union or domestic partnership between adults of the same sex. Moreover no law exists in to address harassment against the LGBT community specifically. Nevertheless, the constitution of provides some provisions that could be applied for the safeguard of all citizens irrespective of their sexual orientation and gender identity. As is predominantly a Muslim country, homosexuality viewed from an Islamic perspective makes it is illegal. Although there has been no cases filed under section 377, the law enforcement agency exercise impunity to act against all sexual minorities in an extra legal and extra judicial manner.

Social situation:Traditionally the hijras are visible and somewhat accepted in the society. People show affection to them in general but there appears to be a strong objection and hostile attitude towards homosexuality resulting from strict religious and cultural values of the society. Being a conservative society steeped in traditional values, many sexual minorities do not publicly express their sexuality. This creates a situation where identification of who is lesbian, gay, or bisexual becomes difficult, and there is an enormous amount of pressure on sexual minority individuals to marry someone of opposite sex. LGBT community in faces a high degree of harassment and violence, stigma and discrimination and uncountable incidents of bullying and teasing in their day-to-day life.

Political situation:The Government of states that is a society with strong traditional and cultural values. Same-sex activity is not an acceptable norm to any community in the country. Indeed, sexual orientation is not an issue in . In 2009 – and also in 2013 – when presenting their Universal Periodic Review (UPR) at the United Nations, officials have refused to overturn section 377. However, the Government has responded positively that they recognize the need for protecting all vulnerable groups of the population, given their constitutional equal rights and freedoms. Moreover, we do not condone any discrimination or violence against any human being on any pretext. On November 11, 2013, hijras, who do not consider themselves male or female, were recognized as a separate gender by the i government in a cabinet meeting.

Current Activities

SAHRA’s partner currently documents human rights violations of LGBT persons, and run documentation training and human rights awareness classes. For further information, please contact SAHRA via e-mail.

Contact Us

Email us: bangladesh (at) sahra.asia


 

আইনী পরিস্থিতিঃ

একই লিঙ্গের মধ্যে যৌন সম্পর্ক সেটা প্রকাশ্যেই হোক বা ব্যক্তিগত বা গোপনয়ি স্থানেই হোকনা কেন সেটা বেআইনী ও শাস্তিযোগ্য এবং এর জন্যে ১৮৬০ সালের পেনাল কোড ৩৭৭ ধারায় জরিমানা সহ যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ব্যবস্থা রয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশের আইনে একই লিঙ্গের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিয়ে, নাগরিক সংযোগ অথবা একই গৃহে একসাথে বসবাস করাকে স্বীকৃতি দেয়না। এছাড়া এমন কোন আইনের অস্তিত্ব নেই যা বিশেষ করে এলজিবিটি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনপ্রকার হয়রানী হলেও সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। তবে, বাংলাদেশের সংবিধানে বেশ কিছু ধারা রয়েছে যেগুলো লৈঙ্গিক পরিচয় এবং জেন্ডার পরিচিতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্যেই নিরাপত্তা বিধানের কথা বলে। এটি অধিক মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হওয়ায় ইসলামিক বিশ্বাসের প্রেক্ষিতে সমকামিতাকে দেখার কারণে এটাকে বেআইনী বলে দেখা হয়। ৩৭৭ ধারার অধীনে কোন মামলা দায়ের না করা হলেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যৌন সংখ্যালঘুদের সাথে এমন সব আচরণ করে ও ব্যবস্থা নেয় যেগুলো আইন বহির্ভুত ও বিচার বহির্ভুত ব্যবস্থা হয়ে যায়।

সামাজিক অবস্থাঃ

একঐতিহ্যগতভাবে হিজড়া জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সমাজে দৃশ্যমান এবং তারা কোন না কোন ভাবে সমাজে স্বীকৃত। সাধারণভাবে মানুষ তাদের প্রতি প্রশ্রয়ের স্নেহ দেখায়, কিন্তু সমাজে বিদ্যমান কঠিন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের কারণে সমকামিতার প্রতি মানুষের কঠোর প্রতিবাদ এবং বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে। ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ থেকে উৎসারিত রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার কারণে অনেক যৌন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী প্রকাশ্যে তাদের লৈঙ্গিক পরিচয় দিতে চায়না। এটা এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যেখানে সমপ্রেমী মানুষদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে যায় এবং এছাড়াও যৌন সংখ্যালঘুদের ওপর বিপরীত লিঙ্গের কাউকে বিয়ে করার জন্যে প্রচন্ড চাপ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এলজিবিটি জনগোষ্ঠী উচ্চমাত্রার হয়রানী ও সন্ত্রাস, কুসংস্কার এবং বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে এবং তারা তাদের জীবনের প্রতিদিনই নিয়মিতভাবে বাজে কথা এবং হয়রানীর শিকার হয়।

রাজনৈতিক অবস্থাঃ

সরকার হচ্ছে কঠোর ঐতিহ্যগত এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধে অচ্ছন্ন একটি সমাজের প্রতিবিম্ব। একই লিঙ্গের মধ্যে সম্পর্ক দেশের কোন জনগোষ্ঠীর কাছে গ্রহনযোগ্য বিষয় নয়। আসলে, লৈঙ্গিক পরিচয় বাংলাদেশে কোন আলোচ্য বিষয় নয়। ২০০৯ সালে এবং ২০১৩ সালেও বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জাতিসংঘে ইউনিভারসাল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) পেশ করার সময়ে ৩৭৭ ধারা প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। তবে, সরকার সাংবিধানিক সম-অধিকার ও স্বাধীনতার ব্যবস্থা থাকার কারণে জনসংখ্যার বিপর্যস্ত গ্রুপগুলোর প্রয়োজনসমূহকে স্বীকৃতি জানাবার বিষয়ে ইতিবাচকভাবে সাড়া দিচ্ছেন। একই সাথে তারা বলছেন যে, আমরা যে কোন কারণেই কোন মানুষের প্রতিই বৈষম্য অথবা সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিতে চাইনা। গত ১১ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে সরকারের মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে হিজড়াদের একটি পৃথক জেন্ডার (তৃতীয় জেন্ডার) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এখানে বলা প্রয়োজন যে, হিজড়া জনগোষ্ঠী নিজেদের না পুরুষ না নারী হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।


যোগাযোগ

ইমেইল: bangladesh (at) sahra.asia